ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূলে ভাঙনের মাঝে সোমবার ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠক হয়েছিল। সেখানে অন্যান্য নেতার সঙ্গে সনিয়া গান্ধীও ছিলেন। ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তার ২৪ ঘন্টা এখনও কাটেনি, মঙ্গলবার তৃণমূলনেত্রী আলাদা করে সাক্ষাৎ করলেন কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে।
মঙ্গলবার যখন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক হচ্ছে, ঠিক তখন কলকাতায় মমতার বাসভবনে পৌঁছায় রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি-র একটি টিম। সই জালিয়াতির অভিযোগ সংক্রান্ত তদন্তে সিআইডির এই হানা। কালীঘাটের ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতার বাড়ি লাগোয়ো তৃণমূলের দফতরে মঙ্গলবার সিআইডি আধিকারিকরা যখন হাজির হন তার কিছুক্ষণের মধ্যে ১০ জনপথে সনিয়ার বাসভবনে হাজির হন মমতা। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটে ত়ৃণমূলের বিপর্যয়ের পর সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে এই প্রথম একান্তে বৈঠক মমতার। সূত্রের খবর, দুই নেত্রীর বৈঠকে ভোট পরবর্তী হিংসা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা নিয়ে কথা হয়েছে। তৃণমূলের পরিষদীয় ওই সংসদীয় দলে যে ভাঙন হয়েছে তা নিয়েওকথা হয়েছে বলে খবর।
উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পরাজিত হওয়ার পর দলে ভাঙন শুরু হয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ সঙ্কটে জর্জরিত জোড়াফুল শিবির। তৃণমূল নেত্রীর পছন্দের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে না মেনে বিধায়কদের একটি বড় অংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধায়ক হিসেবে পছন্দ করেছেন। এদিকে সংসদীয় দলেও ভাঙন হয়েছে। দিল্লিতে সোমবার সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক হয় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের। সেখান থেকে ২০ জন লোকসভার সদস্য এনডিএ শিবিরে যাওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতিমধ্যে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা।