ওঙ্কার ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া বার্তা দিয়েছিল বিজেপি। গত ৯ মে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বিতাড়নের প্রক্রিয়া শুরু করে নয়া সরকার। ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার বানানো হয়েছে। যেখানে সন্দেহভাজন বাংলাদেশিদের আটকে রাখা হচ্ছে। পরে তাঁদেরকে বিএসএফ সীমান্ত দিয়ে পুশব্যাক করছে। এরই ধারাবাহিকতায় মুর্শিদাবাদের লালগোলায় হোল্ডিং সেন্টার থেকে ১৭ অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হল।
সূত্রের খবর, শনিবার রাতে ওই ‘হোল্ডিং সেন্টার’ থেকে ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছে। যদিও কোন সীমান্ত দিয়ে, কীভাবে তাঁদের পুশব্যাক করা হয়েছে, সেই বিষয়ে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ কিছু জানাতে চায়নি। এর আগে শুক্রবার মালদহের ইংলিশবাজারের হোল্ডিং সেন্টার থেকে ৯ অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়। বিএসএফ সূত্রের খবর, শনিবার যে ১৭ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের সকলেই পুরুষ। লালগোলার ওই ‘হোল্ডিং সেন্টারে’ আরও ৯ বাংলাদেশি রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অন্য দিকে জেলায় ধৃত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় মুর্শিদাবাদে আরও হোল্ডিং সেন্টার তৈরির তৎপরতা শুরু করেছে প্রশাসন। তবে বাংলাদেশি ধরার নামে ভারতীয়দের যাতে হেনস্থার মুখে পড়তে না হয়, তা নিয়ে মুখ খুলেছেন বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি। তাঁর দাবি, ‘বাংলাদেশি ধরার নামে সাধারণ ভারতবাসী, যারা বাংলার মানুষ, তাদের উপর যেন অত্যাচার না করা হয়।’