নীলয় ভট্টাচার্য, নদীয়া: বিয়ে হওয়ার পরেও বাড়িতে ঠাঁই পাচ্ছেন না গৃহবধূ। প্রতিবাদে ধর্নায় বসলেন ওই মহিলা। জানা গেছে নদীয়ার শান্তিপুর থানার সঞ্জয় দাসের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় সোমা দাস পাল নামে এক মহিলা। মহিলার অভিযোগ, এর আগে তার একটি বিয়ে হয়েছিল রয়েছে পুত্র সন্তানও। কিন্তু সোমা দাসের আগের স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ায় পর সঞ্জয় দাসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পাশাপাশি আইনিমতে বিবাহ হয় সঞ্জয় দাসের সঙ্গে সোমা দাস পালের। সোমা দাস পাল জানিয়েছেন, আগের পক্ষে সন্তানকেও মেনে নিয়েছে সঞ্জয়।
গৃহবধূর আরো অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে সঞ্জয় দাস মহিলার সঙ্গে দেখা করে সহবাসও করেন, আইনত বিবাহ হওয়া সত্ত্বেও বাড়িতে না তুলে বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে সহবাস করেন। গৃহবধূ এও বলেন, এর আগে একবার বাড়িতে নিয়ে আসার পর মারধর করা হয় তাকে। সোমা দাস পালের ক্ষোভ আইনত বিবাহ সত্ত্বেও কেন তিনি তার স্বামীর ঘর করতে পারবেন না ।তাই অভিযুক্ত স্বামীর বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেন ওই গৃহবধূ। তিনি আরো বলেন, যদি সঞ্জয় দাস অর্থাৎ তার স্বামী তাকে নিয়ে সংসার করে তাহলে আদালতে করা মামলা প্রত্যাহার করবেন তিনি।অন্যদিকে, গৃহবধুর আরও অভিযোগ, তার স্বামী সঞ্জয় দাসের দাদা সুজয় দাস সিভিক ভলেন্টিয়ার এর চাকরি করে বলে তাকে পুলিশের ভয়ও দেখানো হত। সোমা দাস পালের অভিযোগ, একজন আইনের রক্ষক হয়ে সঞ্জয় দাসের দাদা গোটা ঘটনা প্রশ্রয় দিয়েছেন। এমনকি এবিষয়ে অভিযুক্তর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনরকম সাহায্য পাওয়া যায়নি।
