ওঙ্কার ডেস্ক : আহমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬০ জন। তারপর থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার দিকে একাধিক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছিল। বিরাট পরিমাণ ক্ষতি তো রয়েছেই। তার উপর বর্তমানে যুদ্ধের জেরে উড়ান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। সব মিলিয়ে চাপে রয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। এতসব অভিযোগের মধ্যে মেয়াদ শেষের আগেই ইস্তফা দিলেন উড়ান সংস্থাটির সিইও ক্যাম্পবেল উইলসন। জানা যাচ্ছে, আগামী বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত তাঁর মেয়াদ ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষের একবছর আগেই দায়িত্ব ছাড়লেন তিনি।
সূত্রের খবর, ২০২২ সালে এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও পদে বসেছিলেন ক্যাম্পবেল উইলসন। পাঁচ বছরের চুক্তি ছিল সংস্থার সঙ্গে। নানা দেশের উড়ান সংস্থা পরিচালনা করেছেন। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে ভর্তুকি ব্যবস্থাও তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত। ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা তাঁর। কিন্তু এয়ার ইন্ডিয়ায় প্রবল চাপের মধ্যে দায়িত্ব ছাড়লেন। তবে নতুন সিইও দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত কাজ সামলাবেন উইলসন।
কখনও উড়ানের নিরাপত্তা, কখনও পরিষেবা, কখনও মাঝআকাশে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে একাধিকবার সমালোচিত হতে হয়েছে এয়ার ইন্ডিয়াকে। সূত্রের খবর, গত বছরের শেষদিকে এক যাত্রীকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটের বিরুদ্ধে। অপারেশন সিঁদুরের পর পাক আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ঘুরপথে চলাচল করতে গিয়েও ব্যাপক আর্থিক লোকসান হয় এয়ার ইন্ডিয়ার।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে তেল আভিভগামী বিমান পরিষেবা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রেখেছে এয়ার ইন্ডিয়া। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এই পরিষেবা। ফলে লোকসানের মুখে পড়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবর্ষে অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে সংস্থাটির। সব মিলিয়ে চাপের মুখেই ইস্তফা দিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও।