ওঙ্কার ডেস্ক: দেশজুড়ে ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পড়ে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ইস্তফা দেওয়ার পর সোমবার প্রথম সংসদ চত্বরে দেখাযায় তাঁকে। ওড়িশার এই সাংসদকে এদিন আইনসভায় দেখার পর তাঁকে স্বাগত জানালেন বিজেপির অন্যান্য সাংসদরা। এদিন দেখা যায় গাড়ি থেকে নেমে ধর্মেন্দ্র প্রধান হাসিমুখে হাত জোড় করে নমস্কার জানাচ্ছেন। আর বিজেপি সাংসদরা ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন।
ধর্মেন্দ্র প্রধান গাড়ি থেকে নামার পর তাঁকে সাংসদরা ঘিরে ধরলে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। এক সাংসদ এগিয়ে এসে প্রাক্তন মন্ত্রীর মাথায় টুপি পরিয়ে দেন। কাঁধে জড়িয়ে দেন শাল। সব মিলিয়ে এনডিএ শিবির যে ধর্মেন্দ্রর পাশে রয়েছে, এদিন তা সহজেই বোঝা যায়। অন্য দিকে সাংসদদের এই অভ্যর্থনা জানানোকে তীব্র কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ রেণুকা চৌধুরী বলেন, ‘বিলকিস বানোর ধর্ষকদের ক্ষেত্রেও এরা একই কাজ করেছিল। এটা ওদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।’ উল্লেখ্য, ২০২২ সালে গুজরাট সরকার ভালো আচরণ -এর কথা বলে বিলকিস বানোকে ধর্ষণ ও পুরো পরিবারকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ১১ জনকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মুক্তি দিয়েছিল। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর গোধরা জেলের বাইরে তাদের মিষ্টি খাইয়ে এবং পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে স্বাগত জানানোর দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছিল, যার ফলে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের কারণে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল ছাত্রছাত্রীরা। এ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিও জানিয়েছিল তারা। বিষয়টি নিয়ে টানা ২৬ দিন অনশন করেছেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। কেন্দ্রীয় সরকার সোনমের দাবি মেনে নেওয়ায় তিনি অনশন প্রত্যাহার করে নেন।