ওঙ্কার ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে সংসদ অভিযানে পুলিশের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল কংগ্রেস। মঙ্গলবার সেই বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, রাজ্যসভার সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়্গে। কংগ্রেসের এই কর্মসূচি নিয়ে সমালোচনা করলেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। তাঁর দাবি, ২১ জুলাই কংগ্রেসের ওই বিক্ষোভ ছিল ‘লোক দেখানো’। তিনি বলেন, হাত শিবিরের নেতাদের উচিত ছিল যন্তর মন্তরে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে সামিল হওয়া।
আংমোর অভিযোগ, রাজনীতিবিদরা ওয়াংচুক ও তাঁর ‘সুনাম’-কে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষকে আর বোকা বানানো যাবে না। গত সপ্তাহে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থল থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হলেও ওয়াংচুক হাসপাতাল থেকেই অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার তাঁর অনশনের ২৬তম দিনে পড়েছে। আংমোর কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরের ওই বিক্ষোভে আন্তরিকতার অভাব ছিল। সাধারণ মানুষকে আর বোকা বানানো সম্ভব নয়। এ এক জাগ্রত ভারত। যারা আন্তরিক নয়, তরুণ প্রজন্ম তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।’
উল্লেখ্য, সংসদ অভিযানের সময় শিক্ষার্থী বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বাসভবনএর বাইরে রাহুল ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছিল। তার দুদিন পরে আংমোর এই মন্তব্য জাতীয় রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। মঙ্গলবার বিক্ষোভস্থল থেকে রাহুলকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আটক করা হয় সনিয়া তনয়কে। ধস্তাধস্তির সময় তাঁর নাক দিয়ে রক্তও পড়েছিল। আংমো বলেন, ‘আমাদের কাছে কোনও বিরোধী পক্ষ বা সরকার বলে কিছু নেই। আমাদের কাছে সংসদই সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। আমরা চাই সংসদ শিক্ষাকে একটি মৌলিক বিষয় হিসেবে বিবেচনা করুক।’