ওঙ্কার ডেস্ক:দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলনের পর্দা নেমেছে রবিবার। নয়াদিল্লি ছাড়তে শুরু করেছেন অতিথিরা।সম্মেলনের শেষ দিনে অর্থাৎ রবিবার ঠাসা কর্মসূচি ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদীর। এক দিনে সাতটি দেশের রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
দক্ষিণ আফ্রিকা, ফিলিপিন্স ও মিশরের পাশাপাশি বৈঠকের তালিকায় ছিল কাজাখস্তান, বুরুন্ডি, উগান্ডা এবং নাইজেরিয়া। বাণিজ্য থেকে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আলোচনায় উঠে আসে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও ছিল বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার সঙ্গে বৈঠকে একাধিক বিষয়ে আলোচনা করেন মোদী। বিরল খনিজের ব্যবহার ও সরবরাহ নিয়ে কথা হয়। গুরুত্ব পায় পরিকাঠামো এবং খাদ্য নিরাপত্তাও। প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্র প্রধানের মধ্যে। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়েও কথা হয় বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান, উন্নয়নশীল দেশগুলিকে সামনে রেখে আফ্রিকার অগ্রগতিতে ভারত আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে চায়।
ফিলিপিন্সের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়টিও উঠে আসে। পাশাপাশি বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং মহাকাশ গবেষণা নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা। মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাতা এল-সিসির সঙ্গে বৈঠককেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন মোদী। বৈঠকটিকে তিনি ‘অসাধারণ’ বলে বর্ণনা করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদী। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গেও তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে।