ওঙ্কার ডেস্ক: বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও লোকসভায় পেশ হল মহিলা সংরক্ষণ বিল। বৃহস্পতিবার প্রবল হট্টগোলের মাঝেও সংবিধানের ১৩১ তম সংশোধনী পেশ করেন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। মহিলা সংরক্ষণ বিলের পাশাপাশি এদিন আরও দুটি বিল সংসদের নিম্নকক্ষে পেশ হয়েছে। যার মধ্যে একটি লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং অপরটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল।
ইন্ডিয়া জোট মহিলা সংরক্ষণের পক্ষে থাকলেও আসন পুনর্বিন্যাস বিলের তীব্র বিরোধিতা করেছে। বুধবারই কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে বৈঠকে বসেছিল ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। সেখানে মোদী সরকারের আনা এই বিলগুলির বিরোধিতার রণকৌশল স্থির করে ইন্ডিয়া ব্লক। বৃহস্পতিবার বিশেষ অধিবেশনের শুরুতেই মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ শুরু হতেই বিরোধিতা শুরু করে ইন্ডিয়া জোট। বিল পেশের আগেই ভোটাভুটির দাবি জানান কংগ্রেস সাংসদ কেসি ভেনুগোপাল। কিন্তু বিল পেশের জন্য ভোটাভুটি হলেও এনডিএ শিবির জয়ী হয়। সংসদ সূত্রে খবর, বিলটি পেশের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২০৭ জন সাংসদ। আর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১২৬ জন সাংসদ। ভোটাভুটিতে বিল পেশের পক্ষে বেশি সংখ্যক সাংসদ থাকায় সেটি নিয়ে লোকসভায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এদিন রাজ্যসভা মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, মহিলাদ্দের সংরক্ষণের জন্য বিলের পোশাকি নাম ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’। ২০২৩ সালে সংসদে বিলটি পাশ হয়েছিল। সে বারে বিরোধীরা এই বিলের পক্ষে ছিল। এতে বলা হয়েছিল জনগণনার পরে সংসদের আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপর সেই আসনের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষিত রাখা হবে মহিলাদের জন্য। কিন্তু বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার জনগণনার জন্য অপেক্ষা না করে আগেভাগে অর্থাৎ ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে। আর তার ভিত্তিতেই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষিত করতে চাইছে মোদী সরকার। বিরোধীরা এই বিষয়টিতে আপত্তি করছে।