ওঙ্কার ডেস্ক: ব্রিকসের সদস্য হওয়ার জন্য ২০২৩ সালে আবেদন করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভারতের বিরোধিতার কারণে ইসলামাবাদের সেই আর্জি নাকচ হয়ে যায়। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর এই জোটে গত বছর মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সদস্য পদ লাভ করেছে। তবে নয়াদিল্লির ভেটো ক্ষমতা ইসলামাবাদকে ব্রিকসের মঞ্চে প্রবেশ করতে দেয়নি।
পাকিস্তান ইকোনমিক সার্ভে অনুসারে, দেশটির জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৩.৭০ শতাংশ। রিপোর্টে দাবি, পাকিস্তান তার আর্থিক যোগানের বিকল্প বাড়াতে তৎপরতা বাড়িয়েছিল। সেই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের উপর নির্ভরতা কমাতে ব্রিকস-সমর্থিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে ৫৮ কোটি ডলারের শেয়ার কিনেছে। উল্লেখ্য ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী হিসেবে ব্রিকস-এর স্বীকৃতি ক্রমশ বাড়ছিল যখন, সেই সময়ে ইসলামাবাদ এই আবেদন করে। আন্তর্জাতিক এই জোটের আওতায় এখন বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৪৯ শতাংশ এবং বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ রয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের নিজস্ব বাণিজ্যও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই জোটে ভারতের রফতানি ৪৮.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৪.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৯৫.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
২০২৩ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর এই শীর্ষস্থানীয় জোটে যোগ দিতে আগ্রহী। ব্রিকসের ‘অধিকাংশ’ সদস্যের সঙ্গে দেশটির উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।