ওঙ্কার ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রকাশ করা যাবে না, বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলিতে এমনই হুঁশিয়ারি দিল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সতর্কবার্তা অমান্য করলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সোমবার অর্থাৎ ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে। জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় ট্রাইব্যুনাল এই সাজা ঘোষণা করেছে। এদিনই বাংলাদেশের জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ) একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করেছে। সেখানে হুঁশিয়ারির সুরে বলা হয়েছে, ‘অপরাধী’ এবং ‘পলাতক’ শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশে হিংসায় প্ররোচনা দিতে পারে। এর ফলে সামাজিক স্থিতাবস্থা এবং সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় তাই এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম হাসিনার বক্তব্য যে ভাবে প্রচার করছে, তাতে উদ্বিগ্ন জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি।
এর আগেও অন্তর্বর্তী সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছিল বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলি যদি আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচার করে, তাহলে তা ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের গুরুতর লঙ্ঘন বলে ধরে নেওয়া হবে। সম্প্রতি ভারতে বসে বেশ কয়েকটি সংবাদ সংস্থা এবং ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন শেখ হাসিনা। তা নিয়েও নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল ঢাকা।
