স্পোর্টস রিপোর্টার : গ্রেফতার প্রাক্তন ক্রীড়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। শুধু বিনোদন জগতে নয় বাংলার খেলাধুলোতেও তিনি প্রভাব খাটান বেঙ্গল অলিম্পিক সংস্থা থেকে আইএফএর সহ সভাপতি হওয়া সব কিছুতেই স্বরূপের বিচরণ ছিল। এমনকী সহ সভাপতির চেয়ারে বসে আইএফএর বিরোধীতা করতেন প্রকাশ্যে। এদিন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত বললেন,’সল্টলেক স্টেডিয়ামে যারাই খেলা আয়োজন করে, তাদের জেনারেটর ভাড়া নিতে হয়। অথচ সরকারের চারটে জেনারেটর রয়েছে। তবু সেগুলো ব্যবহার করা হয় না। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী এবং স্বরূপের চেনাজানা লোকের থেকে সেটা ভাড়া নিতে হত। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, আইএফএ— সবাইকে একই কাজ করতে হয়েছে। বাইরে থেকে কাউকে ডেকে আনা সম্ভব ছিল না। কারণ ওঁদের লোক পুরো সেট-আপ জানত।”
২০২৩ সালে অনির্বাণ সচিব নির্বাচিত হওয়ার সময় স্বরূপও সহ-সভাপতি হয়েছিলেন। শোনা যায়, তাতেও প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর চাপ ছিল। অনির্বাণ বললেন, “এটা মানতেই হবে যে, সরকার ছাড়া বাংলায় খেলাধুলো চালানো সম্ভব নয়। একটা ম্যাচ করতে হলেও স্টেডিয়াম লাগবে। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর ‘অনুরোধ’ সেই সময়ে রাখা হয়েছিল। উনি বলেছিলেন, আমার ভাই কেন থাকতে পারবে না? ওকেও রাখতে হবে।”
আইএফএর বিরোধী গোষ্ঠী কল্যাণ চৌবের নেতৃত্বে তৈরী হয়েছে যারা আগামী আইএফএ নির্বাচনে বড়ো ভূমিকা নেবেন।, “স্বরূপের সঙ্গে যাঁরা থাকতেন, তাঁরা দিনের পর দিন আইএফএ-কে বিরক্ত করেছেন। রবীন ঘোষ, নজরুল ইসলাম, সৌরভ পালেরা লাগাতার আইএফএ-কে অকারণে চিঠি দিয়েছেন, মামলা করেছেন। অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছেন গভর্নিং বডির বৈঠকে। তারা দেখছি এখন রাজ্যে পালাবদলের পরে কল্যাণ চৌবের গোষ্ঠীর হয়ে গেছে। সৌরভ পালরা, রবিন ঘোষ, নজরুল ইসলাম প্রত্যেকে আছে। আইএফএর স্পনসর তাড়ানো থেকে নানারকম অসুবিধা ওরা করতো এমনকী কোচেস কমিটিকে যেবার আমরা সন্তোষ ট্রফি সঞ্জয় সেনের সময় জিতলাম সেবার স্বরূপ হুমকি দিয়ে বলে ক্রীড়ামন্ত্রীর নির্দেশ রঞ্জন ভট্টাচাৰ্যকে কোচ করতে হবে। এমনকী নির্বাচনে তৃণমূল সরকার জিতলে আইএফএর সচিব হবেন স্বরূপ এমন হুমকিও দিয়েছিলেন। একপ্রকার দেখে নেওয়ার থ্রেট কালচার।প্রথমে হয়তো ওঁদের ধারণা হয়েছিল যে, আইএফএ-তে আমি হাতের পুতুল হয়ে থাকব। ওঁরা ইচ্ছেমতো দাপাদাপি করবেন। যখন দেখলেন সেটা হচ্ছে না, তখন ঝামেলা করা শুরু করলেন। প্রথম বছর থেকেই ঝামেলা শুরু হয়েছিল। আইএফএ-র ঘরে বসে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন ওঁরা। অতীতে এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে কখনও এমন ঘটেনি। স্পনসর সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রী সব জানতেন। কিছু সুবিধা হয়নি। ছ’জন ভূমিপুত্র খেলানোর সিদ্ধান্ত প্রায় চাপিয়ে দেওয়া