ওঙ্কার ডেস্কঃ ফের চাকরির নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ। অভিযুক্ত পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। অভিযোগ, এলাকার যুবকদের থেকে ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে চাকরি দেয় নি। পাণ্ডবেশ্বর থানার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন খগেন্দ্রনাথ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি। তদন্ত করে টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ দিকে সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতিতে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর দাবি, “আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে।”
খগেন্দ্রনাথ মণ্ডল জানিয়েছেন, জমি সংক্রান্ত একটি বিষয়ে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর পরিচয়। খগেন্দ্রনাথের দাবি, পরিচয়ের পর অর্থের বিনিময়ে এলাকার ১৫ জন যুবকে চাকরি দেওয়ার কথা বলেন বিধায়ক। প্রত্যেকের থেকে ২ লক্ষ অর্থাৎ মোট ৩০ লক্ষ তুলতে বলেন তিনি। সেই মতো যুবকদের পরিবার ধাপে ধাপে ২০ লক্ষ টাকা জোগাড় করে। খগেন্দ্রনাথ সেই টাকা তুলে দেন বিধায়কের হাতে। কিন্তু চাকরি হয়নি।
প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তাঁর দাবি, “আমাকে নানাভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। আমার সামর্থ্য মতো মানুষের কাজ করেছি। আমার কাছে যারা এসেছে কেউ খালি হাতে ফিরে যায়নি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়েই আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।”
অন্যদিকে, দুর্গাপুরের ফরিদপুরে লাউদোহায় সন্ত্রাস ও প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের ব্লক সভাপতি শেখ ওয়াসুল। চাকরির দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণা, এলাকায় সন্ত্রাস তৈরির অভিযোগ ছিল। ছাব্বিশের নির্বাচনে ভোটারদের উপর চাপ তৈরির অভিযোগও ওঠে। অবশেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।