ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে? এই প্রশ্নেই এখন উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। দলীয় প্রতীকের দাবি ঘিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সংঘাত পৌঁছেছে চরমে। এই আবহে শনিবার দুই শিবিরের বক্তব্য শোনার জন্য ডেকেছে নির্বাচন কমিশন। উপ-নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী প্রতীকও দেওয়া হতে পারে।
কমিশন সূত্রে খবর, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১১টায় প্রথমে ঋতব্রত শিবিরের শুনানি শুরু হয়েছে। এর এক ঘণ্টা পর শুরু হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর শুনানি। দুই পক্ষই সর্বোচ্চ পাঁচজন করে প্রতিনিধি পাঠাতে পারবে। মমতা শিবিরের প্রতিনিধি তালিকাতেও রয়েছে একাধিক পরিচিত নাম। বৈঠকে থাকার কথা রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনের। থাকবেন লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যসভার উপদলনেতা সাগরিকা ঘোষও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখলের পাশাপাশি একজন আইনজীবীও দলের হয়ে সওয়াল করবেন।
অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরও দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছে। শুক্রবারই তাঁরা রাজধানীতে রওনা দেন। ঋতব্রতের সঙ্গে প্রতিনিধি দলে থাকার কথা অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং আখরুজ্জামানের। তাঁদের সঙ্গে আরও একজন প্রতিনিধি থাকবেন। দলীয় প্রতীকের মালিকানা নিয়েই মূলত কমিশনের এই শুনানি। দুই পক্ষই নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। সেই সঙ্গে ‘জোড়াফুল’ প্রতীকের দাবিও জানিয়েছে উভয় শিবির। ফলে কমিশনের শুনানির গুরুত্ব যথেষ্ট। কোন গোষ্ঠী সাংগঠনিকভাবে প্রকৃত তৃণমূল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার দুই পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা হবে। নথি ও দাবির ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে পারে নির্বাচন পরিচালক সংস্থা।