ওঙ্কার ডেস্ক: বঙ্গে নয়া সরকারের প্রতিষ্ঠার এক মাস ও কাটেনি তার আগে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কার্যত তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তেমনই এক ভেঙ্গে পরার চিত্র দেখা গেল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে। এই পরিস্থিতিতে সেখান কার উপনির্বাচনে কেউ উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইছেন না। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়া নিয়ে যে লড়াই চলছিল, বাংলার মসনদে বিজেপি বসতেই সব ফিকে হয়ে গিয়েছে। তাই উপনির্বাচন ঘোষণার আগে থেকেই প্রার্থী হওয়া থেকে দূরে সরে যেতে চাইছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতারা। এমনকী, বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর মুখ ফিরিয়েছেন পবিত্র করও। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে আর প্রার্থী হতে নারাজ তিনি। পবিত্র কর বেঁকে বসতেই নন্দীগ্রামে দলের পুরনো মুখ শেখ সুফিয়ানের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন সুফিয়ানও। ফলে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে প্রার্থী খুঁজতে গিয়েই বেকায়দায় পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
ভবানীপুরের বিধায়ক পদ রেখে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হিসাবে ইস্তফা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম থেকে প্রায় ১০ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সংবিধানের নিয়ম মেনে বিধায়ক পদ থেকে শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেওয়ায় এবার নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হবে। তৃণমূল জমানায় যখন প্রার্থী পদ না পেলে দল বদলে চলে জেতেন, বিজেপি জমানায় সেই দলের হয়ে নির্বাচন লড়তে চাইছেন আ কেউ। সূত্রের খবর, তৃণমূলের রাজ্য স্তরের নেতারা সুফিয়ানের নন্দীগ্রামের বাড়িতে এসে তাঁকে উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাবে না করে দেওয়ার পাশাপাশি দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সুফিয়ান। তার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি জানান শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে তিনি রাজ্জের জন্য যথেষ্ট ভাল কাজ করছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ইচ্ছুক, এই কারনে তিনি প্রত্যক্ষ রাজনিতি থেকে দূরে থাকবেন।