ওঙ্কার ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় চার্জশিট পেশ করল পুলিশ। ঘটনার ৬০ দিনের মধ্যেই বারুইপুরের বিশেষ পকসো আদালতে ৭০২ পাতার চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। চার্জশিটের নম্বর ১৪০৮/২০২৬।
বারুইপুরে নাবালিকা খুনের ঘটনার পর তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হয়। মামলায় মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে প্রভাস মণ্ডল নামে এক অভিযুক্তের পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। ফলে বর্তমানে অভিযুক্তের সংখ্যা তিন। তদন্তের পর চার্জশিট তৈরির কাজ শুরু করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের দাবি, গত ৩১ অগস্ট বারুইপুরের বিশেষ পকসো আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। ৭০২ পাতার ওই চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩৭(২), ১৪০(৩), ৬৫(১), ৭০(২), ১০৩(১), ২৩৮ এবং ৬১ ধারা। এর পাশাপাশি পকসো আইনের ৬ নম্বর ধারাতেও মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ দায়েরের পর আট সপ্তাহের মধ্যেই তদন্ত শেষ করে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য গত ৪ জুলাই রাত থেকে সূর্যপুরের এক নাবালিকা নিখোঁজ ছিল। পরের দিন বিকেলে একটি পুকুর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল। তদন্তে নামে সিট। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে নাবালিকার মৃত্যুর ধরন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বস্তায় ভরে জলে ফেলে দেওয়ার সময়ও তার শরীরে প্রাণ ছিল। তার আগে তার উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। নাবালিকার যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। মাথাতেও আঘাতের চিহ্ন ছিল।