ওঙ্কার ডেস্ক: অবশেষে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে স্বস্তি পেতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। আগামী সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র্ঘ ভাতা বা ডিএ ইস্যুতে চারটি সরকারি কর্মচারী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এই বৈঠকে সব সংগঠনকে না ডেকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটিকে আমন্ত্রণ জানানোয় শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক। ক্ষোভে ফুঁসছে বঞ্চিত সংগঠনগুলি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ মে সকাল ১১টায় নবান্নে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, কনফেডারেশন অফ গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজ়, ইউনিটি ফোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের প্রতিনিধিরা। ডিএ, পে কমিশন এবং কর্মচারীদের বকেয়া দাবিদাওয়া নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বৈঠকে ডাক না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে একাধিক সরকারি কর্মচারী সংগঠন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির অভিযোগ, সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে বিভাজনের রাজনীতি করছে।
সিপিআইএম সমর্থিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার যেই পরিচালনা করুক না কেন, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব হওয়া উচিত সব পক্ষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া। তাঁর অভিযোগ, বছরের পর বছর আন্দোলন, আদালতে লড়াই এবং কর্মসূচি চালানোর পরও তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হল না।
বিশ্বজিতের কথায়, ডিএ-র দাবিতে অতীতে বহু কর্মচারীকে আন্দোলনের জন্য হেনস্তা হতে হয়েছে, এমনকি জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে। সেই আন্দোলনের ইতিহাসকে অস্বীকার করেই বর্তমান সরকার নির্বাচিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়ে আলোচনায় বসছে বলে দাবি তাঁর।তবে বৈঠকে ডাক না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে একাধিক সরকারি কর্মচারী সংগঠন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির অভিযোগ, সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে বিভাজনের রাজনীতি করছে।
সিপিআইএম সমর্থিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার যেই পরিচালনা করুক না কেন, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব হওয়া উচিত সব পক্ষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া। তাঁর অভিযোগ, বছরের পর বছর আন্দোলন, আদালতে লড়াই এবং কর্মসূচি চালানোর পরও তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হল না।
বিশ্বজিতের কথায়, ডিএ-র দাবিতে অতীতে বহু কর্মচারীকে আন্দোলনের জন্য হেনস্তা হতে হয়েছে, এমনকি জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে। সেই আন্দোলনের ইতিহাসকে অস্বীকার করেই বর্তমান সরকার নির্বাচিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়ে আলোচনায় বসছে বলে দাবি তাঁর।
ওঙ্কার ডেস্ক: অবশেষে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে স্বস্তি পেতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। আগামী সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র্ঘ ভাতা বা ডিএ ইস্যুতে চারটি সরকারি কর্মচারী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এই বৈঠকে সব সংগঠনকে না ডেকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটিকে আমন্ত্রণ জানানোয় শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক। ক্ষোভে ফুঁসছে বঞ্চিত সংগঠনগুলি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ মে সকাল ১১টায় নবান্নে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, কনফেডারেশন অফ গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজ়, ইউনিটি ফোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের প্রতিনিধিরা। ডিএ, পে কমিশন এবং কর্মচারীদের বকেয়া দাবিদাওয়া নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বৈঠকে ডাক না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে একাধিক সরকারি কর্মচারী সংগঠন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির অভিযোগ, সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে বিভাজনের রাজনীতি করছে।
সিপিআইএম সমর্থিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার যেই পরিচালনা করুক না কেন, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব হওয়া উচিত সব পক্ষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া। তাঁর অভিযোগ, বছরের পর বছর আন্দোলন, আদালতে লড়াই এবং কর্মসূচি চালানোর পরও তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হল না।
বিশ্বজিতের কথায়, ডিএ-র দাবিতে অতীতে বহু কর্মচারীকে আন্দোলনের জন্য হেনস্তা হতে হয়েছে, এমনকি জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে। সেই আন্দোলনের ইতিহাসকে অস্বীকার করেই বর্তমান সরকার নির্বাচিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়ে আলোচনায় বসছে বলে দাবি তাঁর।তবে বৈঠকে ডাক না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে একাধিক সরকারি কর্মচারী সংগঠন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির অভিযোগ, সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে বিভাজনের রাজনীতি করছে।
সিপিআইএম সমর্থিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার যেই পরিচালনা করুক না কেন, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব হওয়া উচিত সব পক্ষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া। তাঁর অভিযোগ, বছরের পর বছর আন্দোলন, আদালতে লড়াই এবং কর্মসূচি চালানোর পরও তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হল না।
বিশ্বজিতের কথায়, ডিএ-র দাবিতে অতীতে বহু কর্মচারীকে আন্দোলনের জন্য হেনস্তা হতে হয়েছে, এমনকি জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে। সেই আন্দোলনের ইতিহাসকে অস্বীকার করেই বর্তমান সরকার নির্বাচিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়ে আলোচনায় বসছে বলে দাবি তাঁর।
ওঙ্কার ডেস্ক: অবশেষে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে স্বস্তি পেতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। আগামী সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র্ঘ ভাতা বা ডিএ ইস্যুতে চারটি সরকারি কর্মচারী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এই বৈঠকে সব সংগঠনকে না ডেকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটিকে আমন্ত্রণ জানানোয় শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক। ক্ষোভে ফুঁসছে বঞ্চিত সংগঠনগুলি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ মে সকাল ১১টায় নবান্নে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, কনফেডারেশন অফ গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজ়, ইউনিটি ফোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের প্রতিনিধিরা। ডিএ, পে কমিশন এবং কর্মচারীদের বকেয়া দাবিদাওয়া নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বৈঠকে ডাক না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে একাধিক সরকারি কর্মচারী সংগঠন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির অভিযোগ, সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে বিভাজনের রাজনীতি করছে।
সিপিআইএম সমর্থিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার যেই পরিচালনা করুক না কেন, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব হওয়া উচিত সব পক্ষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া। তাঁর অভিযোগ, বছরের পর বছর আন্দোলন, আদালতে লড়াই এবং কর্মসূচি চালানোর পরও তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হল না।
বিশ্বজিতের কথায়, ডিএ-র দাবিতে অতীতে বহু কর্মচারীকে আন্দোলনের জন্য হেনস্তা হতে হয়েছে, এমনকি জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে। সেই আন্দোলনের ইতিহাসকে অস্বীকার করেই বর্তমান সরকার নির্বাচিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়ে আলোচনায় বসছে বলে দাবি তাঁর।তবে বৈঠকে ডাক না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে একাধিক সরকারি কর্মচারী সংগঠন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির অভিযোগ, সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে বিভাজনের রাজনীতি করছে।
সিপিআইএম সমর্থিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার যেই পরিচালনা করুক না কেন, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব হওয়া উচিত সব পক্ষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া। তাঁর অভিযোগ, বছরের পর বছর আন্দোলন, আদালতে লড়াই এবং কর্মসূচি চালানোর পরও তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হল না।
বিশ্বজিতের কথায়, ডিএ-র দাবিতে অতীতে বহু কর্মচারীকে আন্দোলনের জন্য হেনস্তা হতে হয়েছে, এমনকি জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে। সেই আন্দোলনের ইতিহাসকে অস্বীকার করেই বর্তমান সরকার নির্বাচিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়ে আলোচনায় বসছে বলে দাবি তাঁর।