ওঙ্কার ডেস্ক: সোমবার দুপুরে আলিপুর আদালত চত্বরে বাম নেতা কর্মীদের মধ্যে দেখা গেল তুমুল উত্তেজনা। যাদবপুর স্টেশনে হকার উচ্ছেদের ঘটনায় জামিন পেলেন এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। সোমবার দুপুরে আলিপুর আদালত জামিন দেয় সৃজন-সহ বাকিদের। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রজু করা হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি জামিন পেয়ে যান। ঘটনার সূত্রপাত রবিবার রাতে। যাদবপুর স্টেশন রোডের হকারদের দোকান ভাঙতে হাজির হয় বুলডোজার। এই খবর চাউর হতেই মুহূর্তের মধ্যে স্টেশন চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন হকার এবং সাধারণ মানুষ। তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে উচ্ছেদ রুখতে মাঠে নামেন সুজন চক্রবর্তী, সৃজন ভট্টাচার্য সহ একাধিক বাম নেতৃত্ব। বুলডোজারের সামনে শুয়ে পড়ে চলে তুমুল প্রতিরোধ। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও যখন আন্দোলনকারীরা একচুল সরেননি, তখনই অ্যাকশনে নামে পুলিশ, আরপিএফ এবং বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ব্যারিকেড করে ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা। প্রতিরোধ ভাঙতে শুরু হয় বেপরোয়া লাঠিচার্জ। পুলিশের লাঠির ঘায়ে সুজন চক্রবর্তী সহ বহু বাম নেতা-কর্মী রক্তাক্ত হন। এর পরেই সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সৃজন ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়।
গ্রেফতারির পর, তাঁকে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে তোলার সময়েও হাতে বই নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। রেলের এই উচ্ছেদকে বেআইনি বলে দাবি করেন। এদিকে সৃজনদের গ্রেফতারির খবর ছড়াতেই ভোররাত থেকে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যাদবপুর। সুকান্ত সেতু এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ছাত্রছাত্রীরা।