ওঙ্কার ডেস্ক: শনিতে অভিষেক রবিতে কল্যাণ। রাস্তায় বেরোতেই তাদের দিকে ধেয়ে আসছে পচা ডিম থেকে জুতো। এই কারনে মমতার ডাকা তৃণমূলের জয়ী বিধায়কদের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে চাইছেন না তারা। বাইরে বেরলেই এভাবে জনরোষ আছড়ে পড়তে পারে – এই আশঙ্কাতেই কাঁটা সকলে! যার জেরে আজ কালীঘাটে মমতার ডাকেও বৈঠকে হাজির হতে নারাজ বহু বিধায়ক। রবিবার সকালে সেকথাই শোনা গেল তাঁদের। ফলে আজ ৮০ তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে কতজন কালীঘাটে হাজির হন, তা নিয়ে সংশয় বাড়ছে। ৮০ জনের মধ্যে ২৫ জন উপস্থিত থাকলেও তা যথেষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে।
সুত্রের খবর, অভিষেক-কল্যাণের উপর হামলার ঘটনায় ব্যথিত হলেও সমবেদনা জানাতে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে দ্বিধায় অনেক বিধায়ক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিধায়কের কথায়, ‘‘শনিবার সোনারপুরে যা ঘটেছে, তা নিন্দনীয়। কিন্তু এই পরিস্থিতির জন্য অভিষেকই দায়ী। আজ দলের ভরাডুবির জন্যও ও দায়ী।” আরেকজনের মন্তব্য, ‘‘কল্যাণদার সঙ্গেও আজ যা হয়েছে, খুব খারাপ। কিন্তু কল্যাণদার পাশেও দাঁড়াতে পারছি না। কারণ, উনি রাস্তায় নেমে যেমন চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলেছেন এতদিন, তারই প্রতিফলন।” কেউ কেউ বলছেন, ‘‘চারপাশের যা অবস্থা, বাড়ি থেকে বেরিয়ে কালীঘাট পৌঁছনোর আগে তো পাবলিকের মার খেয়ে হাসপাতালে যেতে হবে। যাবই না মিটিংয়ে।” আরেক বিধায়কের কথায়, ‘‘আমি কখনও ‘দাদা’, ‘বস’ বলে কারও পিছনে দৌড়ইনি, কেক কাটার সেলিব্রেশনেও যাইনি। আমার শিক্ষাদীক্ষা আছে, সেইমতো এতদিন দল করেছি। আমি আজও যাব না।” অপরদিকে, একই দিনে মদন মিত্রের বাড়িতে এসেছেন পুলিশ। সেই সময় তিনি বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। অভিযোগ। তাঁর বাড়ি উদয় ভিলাতে তৈরি করা হয়েছে তৃণমূলের কার্যালয়। সেটি সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে নির্মিত হয়েছে।