ওঙ্কার ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভের নামে তাণ্ডব চালিয়েছিলেন যারা তাদেরকে ছাড়া হবে না বলে। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের সেই হুঁশিয়ারির পর তৎপরতা বাড়ায় পুলিশ। পুলিশের উপর হামলা, রাস্তা অবরোধ, অগ্নিসংযোগ এবং পিটিয়ে খুনের অভিযোগে আরও ২২ জনকে গ্রেফতার করলেন তদন্তকারীরা।
উল্লেখ্য, বারুইপুরে গোলমালের ঘটনায় বুধবার গ্রেফতার করা হয় ১৮ জনকে। তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রাতভর তল্লাশি চালিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আরও ২২ জনকে পাকড়াও করে পুলিশ। সব মিলিয়ে গোলমাল ও গণপিটুনির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪০। রবিবার ১১ বছরের নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সূর্যপুর। নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার প্রমাণও মেলে। এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশের উপর হামলারও অভিযোগ ওঠে। এক যুবককে দোষী সন্দেহে হত্যার অভিযোগও ওঠে। সবমিলিয়ে এক জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের বৃহস্পতিবার আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।
বারুইপুরের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘বাকি যাঁরা অতৃপ্ত আত্মা রয়েছেন, ভোটে হেরে যাঁরা ঘরে ঢুকে গিয়েছিলেন, এখনও ঘরে রয়েছেন, তিন জন মিলে যে তিনটে কাণ্ড করেছেন, তাঁদেরও ভুগতে হবে। এমন ভোগাব বুঝতে পারবে।’ তার পর দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার বারুইপুরে যান পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু। সেখান থেকে তিনি জানান, যে যুবককে সন্দেহভাজন মনে করে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে, তিনি নির্দোষ ছিলেন।