ওঙ্কার ডেস্ক: সদ্য দলের বারাসত জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তার আগে লোকসভার মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপ পদ থেকে সরিয়ে দেয় জোড়াফুল শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। যে ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন বারাসতের তৃণমূল সাংসদ। তিনি দল ছাড়তে পারেন বলে রাজনীতির আঙিনায় চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহে নদিয়ার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা বৈঠকে যোগ দিলেন তৃণমূল সাংসদ। যার ফলে তাঁর দল বদলের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।
মঙ্গলবারের বৈঠকে শুধু কাকলি নন, শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছেন আরও তিন তৃণমূল বিধায়ক। তাঁরা হলেন স্বরূপনগরের বিধায়ক বিনা মন্ডল, দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান এবং হাড়োয়ার বিধায়ক মহম্মদ আব্দুল মতিন। যদিওএই বৈঠকে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, এটি প্রশাসনিক বৈঠক, আমন্ত্রণ পেয়েই তিনি সেখানে গিয়েছেন।
মঙ্গলবার কল্যাণীতে নদিয়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানাবেন। পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের বৈঠকে ডাকতেন না বলে অভিযোগ। মমতার উলটোপথে হেঁটে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান তৃণমূল সাংসদ এবং বিধায়কদেরও বৈঠকে ডাকলেন। উল্লেখ্য, কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের পুরনো নেতাকর্মীদের মধ্যে অন্যতম মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির ময়দানে তিনি লড়াই করছেন। বারাসতের তিনবারের সাংসদকে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর চিফ হুইপের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।