ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক তৃণমূল নেতা ও তাদের ঘনিষ্টদের নানান দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হয়েছে। এইবার সেই ধারাবাহিকতার নিদর্শন হিসাবে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহেশ কুমার শর্মা। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, প্রতারণা এবং জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।
দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় তোলাবাজি থেকে শুরু করে নানান দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তৃণমূল জমানাতে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক থানায় অভিযোগ জমা পড়লেও শাসক দলের ঘনিষ্ট থাকার কারনে তাঁর বিরুদ্ধে কোন ও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই মত এদিন রাতে পুলিশের হাতে একাধিক তথ্য প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, রাজ্যে পালাবদল হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে সকল ব্যাক্তিরা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন তাদের কে রেয়াদ করা হবে না। তার পর থেকেই একাধিক তৃণমূল নেতা দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। এর আগে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শচীন সিংকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। প্রোমোটার এবং ব্যবসায়ীদের হুমকি দিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেফতার হন ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুর। একইভাবে ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লেকেও গ্রেফতার করে ঠাকুরপুকুর থানা। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহেশ কুমার শর্মার নাম। একই সঙ্গে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।