ওঙ্কার ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি যে শব্দগুলি নিয়ে চর্চা হয়, তার মধ্যে অন্যতম অনুপ্রবেশকারী। বিজেপির শীর্ষ স্তরের নেতারা বার বার এই ইস্যুতে সরব হন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গে ভোট কর্মসূচি থেকে ফের একবার অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার বাঁকুড়ার সভা থেকে ফের অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া বার্তা দেন তিনি। বিজেপি যদি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসে তাহলে অনুপ্রবেশকারীদের জেলে পাঠানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
শনিবার বাঁকুড়ার ওন্দায় জনসভা সভা করেন শাহ। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে শান দিয়ে তিনি বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের জন্য বিপদ। আমাদের যুবকের চাকরি নিয়ে নিচ্ছে। গরিবের অন্ন নিয়ে যাচ্ছে। বাংলা আর একজন অনুপ্রবেশকারীকেও বরদাস্ত করবে না। ভারত ধর্মশালা নয়। আমাদের ভূমি। যারা কব্জা করেছে, তাদের আইনের মাধ্যমে জেলে পাঠাবে বিজেপি সরকার।’ শুক্রবার কলকাতায় বিজেপির সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ করেছেন অমিত শাহ। তাতেও অনুপ্রনবেশ রোখার বার্তা দিয়েছে পদ্ম শিবির। তার পরে নির্বাচনী জনবসভা থেকেও এই বিষয়ে আরও একবার গেরুয়া শিবিরের অবস্থান স্পষ্ট করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নারী সুরক্ষা নিয়ে এদিন তিনি বলেন, ‘এখানে মহিলাদের সুরক্ষা নেই। মমতাদিদি বলেন, ৭টার পরে মহিলাদের বাইরে যাওয়া উচিত নয়। অসমে দেখে আসুন, রাত একটায়ও মহিলারা বিয়েবাড়ি যান স্কুটিতে। কারও কিছু হয় না। বিজেপির সরকার গড়ে দিন, ২৪ ঘণ্টা সুরক্ষা দেব।’ পাশাপাশি বিজেপি জিতলে বঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করা হবে বলে জানান তিনি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতে মরিয়া বিজেপি। তৃণমূলের ভাতা নিয়ে আগে বিভিন্ন সময়ে কটাক্ষ করলেও বিজেপি নিজেদের ইস্তাহারে সেই ভাতার পথে হেঁটেছে। সংকল্পপত্রে বেকার যুবক যুবতী ও মহিলাদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বিজেপি।