স্পোর্টস রিপোর্টার : ইনভেস্টর হিসাবে আর ইমামি নেই। খোঁজ চলছে স্পনসর। খোঁজ চলছে অর্থের। পুরো দল এসে পৌছায়নি। মাত্র ৫ দিনের অনুশীলন। এই অবস্থায় সবথেকে বড়ো লড়াই ডার্বিতে শনিবার ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নামতে হচ্ছে গতবছর আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে। তবে সব নেগেটিভের মাঝেও একটা পজিটিভ আন্টেনিও লোপেজ হাবাস। যিনি কোনদিন মোহনবাগান কোচ হিসেবে ডার্বি হারেননি। ভারতের সবচেয়ে সফলতম বিদেশী কোচ। আইএসএলে ট্রফির মালা ইন্টার কাশিকে আই লিগ দেওয়ার পরে বোধহয় ইস্টবেঙ্গলকে সাফল্য দেওয়া তার কোচিং কেরিয়ারে বড়ো চ্যালেঞ্জ। আর তার এনার্জি পুঁজি করেই ডার্বিতে নামবে ইস্টবেঙ্গল।
হাবাস নিজে বললেন,’ ৫ দিনের প্রস্তুতি নিয়ে খেলা- আমার ফুটবলাররা চেষ্টা করছে। দানিস সহ বাকিদের ১৫ দিন সময় লাগবে পুরো খেলার জন্য। এটা সম্পূর্ণ আলাদা টুর্নামেন্ট। আইএসএল নয়। দুটো দিক আছে ট্যাকতিকাল ও মেন্টালি। আমরা দুটো দিক নিয়ে কাজ করছি। আমি অতীত নিয়ে ভাবি না। আমি সামনে তাকাই, আমাকে মোহনবাগান ফ্যান রা ভালোবাসা দিয়েছেন সেটা এখন অতীত ।।আমার মধ্যে কোন আবেগ নেই এটা পেশাদার ওয়াল্ড ।আমরা তিন দিন অনুশীলন করছি। আমি এই স্কোয়াড নিয়ে খুব খুশি।। তরুণ ফুটবলার আছে। অনুশীলনে ফুটবলার রা উন্নতি করছে। আমাদের দলে জাতীয় দলের যে ফুটবলাররা আছেন তাদের ভবিষ্যত খুব উজ্জ্বল। ২০১০ সালে যে ভাবে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল একই প্রসেসই এবার চ্যাম্পিয়ন হল। কিন্তু ভারতীয় ফুটবলের সেইভাবে উন্নতি হয়নি। ক্লাবদের আর্থিক সংকট থেকেই গেল। জাতীয় দল খুব বেশি খেলে না।’
এদিকে লাল হলুদের, জিকসন সিং বলেন- আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া লম্বা একটা প্রসেস। আমরা আগের মরসুমের মতো মানসিকতা নিয়ে নামছি। যাতে আরো বেশি ট্রফি জিততে পারি।বিদেশি প্লেয়াররা পরে এলেও আমরা আগে থেকে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি ভালো ফলের জন্য। এই ডার্বি ভালো সুযোগ ভারতীয় ফুটবলারের জন্য তারা তাদের প্রতিভা দেখাতে পারবেন । এই মরশুম এর শুরু থেকেই ইস্টবেঙ্গল ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে। আগের মরশুম গুল ভালো না গেলেও শেষ মরশুম আমরা ট্রফি জিতেছি। সমর্থকদের আনন্দ দিতে পেরেছি ।’