ওঙ্কার ডেস্ক: এক মাস আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর সমাজমাধ্যমের পাতায় ঘোষণা করেছিলেন টলিপাড়ার অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়। এই খবরের পর আরও বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে অভিনেত্রী। অভিনেত্রী বিচ্ছেদ নিয়ে জানিয়েছিলেন, মনখারাপ হলেও এখন আর অতীতে তাকাতে চান না। এটা দু’জনের মিলিত সিদ্ধান্ত। বিচ্ছেদের ঘোষণার পর আর তাঁদের কথা হয়নি। সুস্মিতার স্বামী পেশায় সাংবাদিক এবং তাঁর দেওর তিনিও অভিনেতা-ভ্লগার, সায়ক চক্রবর্তী।
সায়ক এবং সুস্মিতাকে একে অপরের ভ্লগে অনেক সময়ই দেখা গিয়েছে। দেওরের সূত্রেই এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন সুস্মিতা। ভ্লগিং, নেটপ্রভাবী হওয়ার জন্য অনেক বিজ্ঞাপনের কাজ পান সায়ক। সে সূত্রে সুস্মিতাকে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে অভিনেত্রী নিজের ব্যবসা শুরু করেছেন। তা দেখে খুশি সায়ক। বৌদি সুস্মিতার সঙ্গে কাটানো মুহূর্তরা মাঝে মাঝে ভিড় করে। কিন্তু পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। রাখিবন্ধনের দিন বার বার মনে পড়ছিল বৌদির কথা। সায়ক বললেন, “রাখিবন্ধনের দিন দেখলাম অফিসের সবাইকে রাখি পরিয়েছে সুস্মিতা। সে দিন ওর একটা ফোনও এল না, কষ্ট হয়েছিল। কিন্তু সব কিছু মেনে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার নাম জীবন।” দাদা-বৌদির সংসার ভাঙার সদুত্তর সায়কের কাছে নেই। তাঁরা আলাদা বাড়িতে থাকেন। তবে সুস্মিতার উন্নতিতে কিছু অবদান সায়কেরও আছে। এ কথা ভেবেই খুশি অভিনেত্রীর প্রাক্তন দেওর।
