ওঙ্কার ডেস্ক: দীর্ঘ নীরবতার পর ফের পরিচালকের ভূমিকায় বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা অনুপম খের। ইতিমধ্যে তার পরিচালিত ছবি ‘তানভি দ্য গ্রেট’ যা সাম্প্রতিককালে বেশ চর্চিত। ১৮ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘তানভি দ্য গ্রেট’। যদিও তার আগেই এই ছবি বিদেশের পাশাপাশি দেশের মাটিতেও সফল, বেশ প্রশংসা কুড়োচ্ছেন অনুপম খের। উল্লেখ্য এই ছবি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হয়েছে। তা গল্পটা কীরকম? এক বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন মেয়ে কয়েক বছর আগে তার বাবাকে হারিয়েছে এবং মায়ের সঙ্গে থাকে সে। তবে সে আর্টিস্টটিক হওয়ায় তাকে দাদু মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। তবে উত্তরাখণ্ডে দাদুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েই গল্পে্র মোড় অন্যদিকে এগোয়। এর মধ্যেই সেইদিন আসে, যেদিন অন্য সেনা আধিকারিকদের সম্মান দেওয়া হলেও তার বাবাকে দেওয়া হয় না। এই বিষয়টাই মানসিকভাবে নাড়িয়ে দেয় তানভিকে। তারপরই তানভি ঠিক করে সেও দেশের হয়ে লড়াই করবে। গল্পের পরবর্তী অংশ জানতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে ১৮ই জুলাই পর্যন্ত। সেদিনই প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘তানভি দ্য গ্রেট’। যদিও ছবির প্রিমিয়ারে কান ফিল্মোৎসবে এসেছিলেন রবার্ট ডি নিরোও। যেহেতু এই ছবি কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের বিশেষ সিনেবিভাগে প্রদর্শিত হয় এবং ছবির প্রিমিয়ারে কান ফিল্মোৎসবে এসেছিলেন রবার্ট ডি নিরোও। কার্যত এরপরই অনুপম পরিচালিত এই সিনেমা নিয়ে দর্শকদের কৌতূহলের অন্ত নেই।
এই আবহেই শুক্রবার রাষ্ট্রপতিভবনের কালচারাল সেন্টারে দেখানো হল অনুপম পরিচালিত ছবি ‘তানভি দ্য গ্রেট’। দেশ বিদেশ থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল পাশাপাশি হলিউড বলিউড তারকাদের প্রশংসা কুড়নোর পর এবার এই ছবি খোদ দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মণিকোঠায়। এক বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন তরুণীর দেশের হয়ে লড়াই করার স্বপ্নের গল্প মন কারল রাষ্ট্রপতির।
এই ছবি যেহেতু কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের বিশেষ সিনেবিভাগে প্রদর্শিত হওয়ার পর থেকেই অনুপম পরিচালিত এই সিনেমা নিয়ে দর্শকদের কৌতূহলের অন্ত নেই। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রশংসা কুড়িয়ে এবার রাষ্ট্রপতিভবনে দেখানো হল ‘তানভি দ্য গ্রেট’। এদিন এই ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে এসেছিলেন টিমের ক্যাপ্টেন অফ দ্য শিপ অনুপম খের, বোমান ইরানি, করণ ঠাক্কর এবং সিনেইন্ডাস্ট্রিতে নবাগত শুভাঙ্গী। সেই মুহূর্তেই প্রবীণ অভিনেতা তথা পরিচালক অনুপম খের- এর কণ্ঠে প্রকাশ পেয়েছিল এক আনন্দমুখর উচ্ছ্বসতা। তিনি বলেছিলেন, “এটা আমাদের জন্য দারুণ গর্বের বিষয় যে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং ভারতীয় সশস্ত্রবাহিনীর সুপ্রিম কমান্ডার একসঙ্গে বসে আমাদের এই সিনেমাটি উপভোগ করলেন। আর খোদ দেশের রাষ্ট্রপতির তরফে প্রশংসা পাওয়া আমার জন্য স্বপ্নপূরনের থেকে কম কিছু নয়। পরিচালক হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ দপ্তরে নিজের সিনেমাটা দেখাতে পেরে আমি ধন্য।”
