ওঙ্কার ডেস্ক: ফের শিরোনামে ‘ভাইরাল গার্ল’। দক্ষিণী ছবির শুটিং করতে গিয়ে সম্প্রতি বিয়ে করেছেন তিনি, আর তারপর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ‘মহাকুম্ভ’ খ্যাত সেই মালা বিক্রেতা। পরিবারের অমতে মুসলিম প্রেমিক ফরমান খানকে বিয়ে করার পর থেকেই বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে পাশাপাশি একাধিক দিকে মোড় নিয়েছে। এবার সেই বিতর্কে যুক্ত হলো আরও নতুন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
সম্প্রতি বয়ান রেকর্ড করার জন্য পুলিশের তরফে তলব করা হয়েছিল ‘ভাইরাল গার্ল’কে। কিন্তু তাঁর স্বামী ফরমান খান পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, তাঁর স্ত্রী নাকি বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। আর সেই কারণেই তিনি বাড়ি থেকে বেরোতে বা থানায় হাজিরা দিতে পারছেন না। যদিও ফরমানের এই দাবি কতটা সত্য, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রয়োজনে মহাকুম্ভের ভাইরাল গার্লের মেডিক্যাল পরীক্ষাও হতে পারে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, পরিবারের অভিযোগ ছিল বিয়ের সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল কুম্ভ গার্ল। জাতীয় জনজাতি কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে এক বিস্ফোরক তথ্য। মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর জন্ম ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর। সেই হিসেবে ২০২৬ সালের ১১ মার্চ বিয়ের দিন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর ২ মাস ১২ দিন। অন্যদিকে, বিয়ের সময় জমা দেওয়া তথ্যে দেখানো হয়েছিল ১ জানুয়ারি ২০০৮ সালে জন্ম ভাইরাল গার্লের। আর তারপরেই অভিযোগ উঠেছে, বয়স বাড়িয়ে এই বিয়ে করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বর থানায় ফরমান খানের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
তবে বর্তমানে ফরমানের এই দাবি আদৌ কতটা সত্য সেই নিয়ে রয়েছে নানা ধোঁয়াশা। মাঝে যদিও শোনা গিয়েছিল ওই নাবালিকা নাকি নিখোঁজ, তারপরেই তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরের সতত্যা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে, আগামীতে এই ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকে নজর একাংশের।