ওঙ্কার ডেস্ক: বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল গাড়ি। আর তার ফলে মৃত্যু হল একই পরিবারের নয় জনের। শুক্রবার ভয়াবহ এই ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের সুরপুর তালুকের শান্তাপুরা ক্রসের কাছে । ঘটনার পর তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করে প্রশাসন। কী ভাবে এমন ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতরা একই পরিবারের। তাঁরা হলেন কৃষ্ণ নায়েক (৫২) ও তাঁর স্ত্রী অনন্ত কলা (৪৫); শরণাপ্পা (৩৬) ও তাঁর স্ত্রী নিসর্গা (৩০); তাঁদের সন্তান সিদ্ধার্থ (৩), অদ্বিক (৫) ও শ্রীনিধি (১.৫); এবং শশীকলা (৩০) ও তাঁর ছেলে চন্দন (৮)। এই দুর্ঘটনায় এক জন প্রাণে বেঁচেছেন, সে শশীকলার ছেলে। ১০ বছর বয়সী ওই শিশুর নাম বিরাট। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কম্প্যাক্ট ইউটিলিটি ভেহিকল (সিইউভি)-টির একটি টায়ার ফেটে গিয়েছিল। এর পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় গাড়িটির। এরপর সিইউভি যানটিতে আগুন ধরে যায়। ফলে গাড়ির মধ্যে থাকা নয় আরোহীর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার সময় গাড়িটিতে পাঁচ জন শিশু-সহ মোট ১০ জন যাত্রী ছিলেন। পুলিশ কর্তা বলেন, চার জন আরোহী, যাদের মধ্যে দুজন শিশু, ঘটনাস্থলেই পুড়ে মারা যান। চিকিৎসার জন্য সকলকে উদ্ধার করে ইয়াদগিরি ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস-এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা নয় জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। একমাত্র বেঁচে থাকা শিশু বিরাট বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই ছিল গাড়ি এবং বাস দুটি যান আগুনে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশ সুপার জানান, গাড়িতে থাকা যাত্রীরা রায়চুর জেলার সিরওয়ার তালুকের বাসিন্দা ছিলেন। গাড়িটি যাদগির থেকে রায়চুরের দিকে যাচ্ছিল। বাসটি বেঙ্গালুরু থেকে কালাবুরগির দিকে যাচ্ছিল।