ওঙ্কার ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন নীতিশ কুমার? এই জল্পনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে সে রাজ্যের রাজনীতিতে। সূত্রের খবর, জেডিইউ প্রধান রাজ্যসভায় যাওয়ার জন্য মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন। সংসদের উচ্চ কক্ষের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হলে তিনি বিহারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ থেকে সরে যেতে পারেন। সূত্রের খবর, নীতিশ কুমার বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার জন্য মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন।
পাটনা এবং দিল্লি জুড়ে ইতিমধ্যে জল্পনা তৈরি হয়েছে, নীতিশের উত্তরসূরি কে হবেন তা নিয়ে। এদিকে মঙ্গলবারই জানা গিয়েছে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পুত্র নিশান্ত কুমার রাজনীতিতে যোগ দিতে চলেছেন। তিনিই বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসবেন কিনা সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। সূত্রের খবর, নীতিশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমারকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হতে পারে। যদিও জেডিইউ বা এনডিএ জোটের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও তথ্য জানানো হয়নি। নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ এক বর্ষীয়ান মন্ত্রী প্রকাশ্যে নিশান্ত কুমারের সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে কারণ জনতা দল ইউনাইটেডের জাতীয় কার্যকরী সভাপতি সঞ্জয় ঝা বুধবার দিল্লি থেকে পাটনা পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং ওরফে লালন সিংও দিল্লি থেকে পাটনা রওনা দিয়েছেন। বিহারের পঞ্চম রাজ্যসভা আসন ঘিরে জটিলতা রয়েছে, একটি রাজ্যসভা আসন জয়ের জন্য ৪১ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। বিজেপি, জেডিইউ, এলজেপি (রাম বিলাস), এইচএএম এবং আরএলজেএম বিধায়কদের নিয়ে গঠিত বিহার বিধানসভায় এনডিএ-র সম্মিলিত শক্তি ২০২, যার ফলে পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে জোটের জয় প্রায় নিশ্চিত। উপেন্দ্র কুশওয়াহাকে এই আসনের জন্য এনডিএ প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তবে এলজেপি প্রধান চিরাগ পাসওয়ান সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত নন বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর মনোনয়ন নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ক্রস-ভোটিং বা অনুপস্থিতি এড়াতে, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে সমস্ত এনডিএ বিধায়কদের পাটনায় ডেকে পাঠানো হয়েছে।