ঘরে সহজে বানানো তেল চুলের শুষ্কতা ও ভাঙা কমাতে সাহায্য করতে পারে, তবে চুল পড়ার মূল কারণ ( খুশকি, পুষ্টির ঘাটতি,হরমোন, থাইরয়েড,বংশগত কারণ ইত্যাদি) অনুযায়ী চিকিৎসা আলাদা হতে পারে।
চুলের যত্নে ঘরে বানানো ৩টি তেল
চুলের যত্নে নিয়মিত তেল ব্যবহার চুল ও মাথার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ রাখতে এবং শুষ্কতা ও চুল ভেঙে যাওয়া কমাতে সাহায্য করতে পারে। বাজারের বিভিন্ন তেলের পাশাপাশি ঘরেও কয়েকটি সহজ উপকরণ দিয়ে তেল তৈরি করা যায়। তবে মনে রাখতে হবে, শুধু তেল ব্যবহার করলেই সব ধরনের চুল পড়া বন্ধ হয় না। অতিরিক্ত চুল পড়ার পেছনে পুষ্টির ঘাটতি, হরমোনের পরিবর্তন, খুশকি বা অন্যান্য কারণ থাকতে পারে।
১. নারকেল-মেথি তেল
উপকরণ: আধ কাপ নারকেল তেল ও ১ টেবিল চামচ মেথি দানা।
তৈরির পদ্ধতি: একটি পাত্রে নারকেল তেল নিয়ে মেথি দানা দিন। খুব কম আঁচে ৫–৭ মিনিট গরম করুন। মেথি দানা সামান্য বাদামি হলে গ্যাসবন্ধ করে তেলটি ঠান্ডা করুন। এরপর ছেঁকে পরিষ্কার বোতলে সংরক্ষণ করুন।
ব্যবহার: সপ্তাহে ২ বার মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিতে পারেন। মেথি চুলের যত্নে অত্যন্ত উপকারী।
২. আমলকি-নারকেল তেল
উপকরণ: ½ কাপ নারকেল তেল এবং ১–২ টেবিল চামচ শুকনো আমলকি কুচি বা আমলকি গুঁড়ো।
তৈরির পদ্ধতি: নারকেল তেলের সঙ্গে আমলকি দিয়ে কম আঁচে ৮–১০ মিনিট গরম করুন। তারপর তেলটি ছেঁকে নিন।
ব্যবহার: সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই তেল ব্যবহার করুন। এটি চুল ও মাথার ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
৩. কালোজিরা-নারকেল তেল
উপকরণ : নারকেল তেল এক কাপ, কালো জিরে ভাঙ্গা দুচামচ।
তৈরীর পদ্ধতি : এক কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে দুচামচ ভাঙা কালোজিরা দিয়ে ৫–৭ মিনিট হালকা আঁচে গরম করুন। ঠান্ডা হলে ছেঁকে নিন।
ব্যবহার:সপ্তাহে ১–২ বার মাথার ত্বকে ব্যবহার করুন। দু’ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
মনে রাখবেন তেল লাগানোর সময় জোরে ঘষাঘষি না করে আলতোভাবে ম্যাসাজ করা ভালো। এসব তেল চুলের শুষ্কতা ও ভঙ্গুরতা কমাতে সহায়ক হতে পারে।