ওঙ্কার ডেস্ক: ২ হাজার টাকা বা তার বেশি ইউপিআই লেনদেনে চার্জ বসানোর প্রস্তাব ঘিরে বিতর্কে নয়া মোড়।
পেট্রল পাম্প মালিকদের হুঁশিয়ারি, তাঁদের ব্যবসায় লাভের পরিমাণ এমনিতেই কম। তার উপর প্রতিটি বড় ইউপিআই লেনদেনে অতিরিক্ত মাশুল দিতে হলে লাভ আরও কমবে। তাই ইউপিআই পেমেন্ট গ্রহণ বন্ধের পথে হাঁটবেন তারা।
প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল্যের ইউপিআই লেনদেনে সর্বোচ্চ ৫ টাকা পর্যন্ত মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর বসতে পারে। এই অতিরিক্ত খরচ নিয়েই মূল আপত্তি পেট্রল পাম্প মালিকদের। তাঁদের দাবি, জ্বালানি বিক্রির ক্ষেত্রে লাভ নির্ভর করে প্রতি লিটারে নির্ধারিত মার্জিনের উপর। মোট লেনদেনের অঙ্কের উপর সেই লাভ নির্ভর করে না। ফলে বড় অঙ্কের ইউপিআই পেমেন্টে এমডিআর কাটা হলে সরাসরি প্রভাব পড়বে তাঁদের আয়ে। ইতিমধ্যে এই বিষয়টি জানিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে চিঠি দিয়েছে ‘অল ইন্ডিয়া পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন’। জ্বালানি বিক্রেতাদের এই চার্জের আওতার বাইরে রাখার আবেদন জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনের অ্যাসোসিয়েট প্রেসিডেন্ট অজয় বনসলের বক্তব্য, পেট্রল পাম্পের উপার্জন নির্দিষ্ট লিটার-পিছু মার্জিনের সঙ্গে যুক্ত। লেনদেনের মোট মূল্যের সঙ্গে সেই আয় বাড়ে না। তাই এমডিআর কেটে নেওয়া হলে লাভের অঙ্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। এই আর্থিক চাপ কমাতেই পেট্রল পাম্পগুলিকে অতিরিক্ত ইউপিআই ফি থেকে ছাড় দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে অসন্তোষ।
দিল্লির কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের বক্তব্য, অতিরিক্ত খরচ এড়াতে তাঁরা ক্রেতাদের কাছ থেকে নগদ টাকা নেওয়ার পথে ফিরতে পারেন। কমলা নগর মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নীতিন গুপ্তের মতে, ডিজিটাল পেমেন্ট জনপ্রিয় করার সময় ব্যবসায়ীরা সরকারের উদ্যোগকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু এখন ইউপিআই ব্যবহারের জন্য বাড়তি খরচ চাপলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।