ওঙ্কার ডেস্ক: এবার এসএফআই –এর ভিতরেই উঠেছে শ্লীলতাহানির অভিযোগ। দলেরই এক মহিলা কর্মী অভিযোগ করেছেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সসম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তাঁকে একাধিক বার কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। নিজের খালি বাড়িতেও ডেকেছেন বহুবার। বারবার উচ্চ পদস্থ কর্মীদের জানিয়েও লাভ হয়নি দেখে সরাসরি এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে কে চিঠি পাঠান ঐ তরুনী।
সংগঠনের ঐ মহিলা সদস্য লিখিতভাবে রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছেন, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা রাজ্য কমিটির এক নেতা বারবার তাঁকে মদ্যপানের প্রস্তাব দিয়েছেন, দমদম ক্যান্টনমেন্টের ফাঁকা ফ্ল্যাটে একা দেখা করার কথা বলেছেন। অভিযোগকারিণীর দাবি, অভিযুক্ত নেতা অশালীন মন্তব্য করে তাঁকে মানসিকভাবে চাপে ফেলেছেন। এমনকি সিপিএম ডিজিটাল-এ কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। অভিযোগে আরও উল্লেখ করেছেন, সংগঠনের অন্য এক পুরুষ সদস্যকে মিথ্যা শ্লীলতাহানির কেসে ফাঁসানোর কথাও বলেছিলেন ওই নেতা। চিঠিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে তরুণী লিখেছেন, “মনোজিৎ মিশ্ররা শুধু তৃণমূলে নয়, আমাদের সংগঠনেও আছে। এরা বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে নোংরামি করে।”
অভিযোগ সামনে আসতেই এসএফআই নেতৃত্ব নড়েচড়ে বসেছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে জানিয়েছেন, অভিযোগপত্র পাওয়ার পর থেকেই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে এবং ওই তরুণীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, এসএফআই কোনওভাবেই এ ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করবে না। তবে অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
অন্যদিকে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, যে সংগঠন নৈতিকতার পাঠ দেয়, তার মধ্যেই একের পর এক এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
