অর্পিতা মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রদেশে মঙ্গলবার রাতে পৃথক দুটি জায়গায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জখম হল দুই অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালানোর জন্য রিভলবার কেড়ে নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা। আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালায় পুলিশ।
দেবাসে ট্রাকচালকের এনকাউন্টার
জানা গিয়েছে, সোমবার ভোরে ইনদওর-বেতুল জাতীয় সড়কে নাকা চেকিং চলছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এসএইচও দিলীপ পুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গুজরাতে মদ পাচারের ট্রাক আটকানোর চেষ্টা করে। তল্লাশিতে ১৮০০ লিটারের বেশি অবৈধ মদ সহ একটি ট্রাক আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ট্রাক নিয়ে পালাতে গিয়ে ডিভাইডারে তুলে দেন চালক। ট্রাকের পিছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এসএইচও দিলীপ পুরীর।
পুলিশ সুপার আদিত্য মিশ্র জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন চালক গজেন্দ্র ওরফে আক্কু রাওয়াত। মঙ্গলবার আলিরাজপুর থেকে তাঁকে আটক করা হয়। দেবাসে নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশকর্মীর রিভলবার কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। ধরতে গেলে গুলিও চালান। পালটা গুলিতে তাঁর পায়ে গুলি লাগে। প্রথমে দেবাস জেলা হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ইনদওরে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে।
একই ট্রাকে সহকারী হিসেবে ছিলেন ধীরজ। তাঁকেও গ্রেফতার করে অন্য একটি পুলিশ দল। দেবাসের ব্যাঙ্ক নোট প্রেস থানা এলাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় তিনিও পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করেন এবং রিভলবার কেড়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পুলিশের গুলিতে তাঁর ডান পায়ে গুলি লাগে। বর্তমানে তিনি দেবাস জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ভোপালেও এনকাউন্টার
একই দিনে ভোপালেও আরেকটি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে। অবসরপ্রাপ্ত আইএএস রাকেশ অগ্রবাল হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত বরুণ কুমারকে উত্তরপ্রদেশের আগ্রা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ ভোপালে নিয়ে যাচ্ছিল। পথে পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা এবং পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তখন পালটা গুলি চালায় পুলিশ, গুলি লাগে তাঁর পায়ে।