ওঙ্কার ডেস্কঃ সই কাণ্ডে স্বস্তি পাচ্ছেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডির নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে করা মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতি চৈতালী চট্টোপাধ্যায় দাস।
গত বুধবার সিআইডি নোটিস চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এই তদন্তে সিআইডি যাতে তাঁকে গ্রেফতার না করে, সেই রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন জানানো হয়। দ্রুত শুনানির আর্জিও জানিয়েছিলেন। কিন্তু দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতি।
হাজিরা না দেওয়ার পরই সিআইডির তরফে ফের নোটিস দেওয়া হয়েছিল অভিষেককে। পরবর্তীতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডিও নোটিস ধরিয়েছে তাঁকে। একদিকে দলের এই হাল, অন্যদিকে ইডি সিআইডির কেসে জর্জরিত তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।
ভোটের ফল ঘোষণার পর সই কাণ্ডের সূত্রপাত। গত ৬ মে বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী বৈঠক করেন। তাতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। এরপর ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়করা। বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। এখানেই গরমিল শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় জালিয়াতি সন্দেহ হয় সচিবের। তিনি থানায় এফআইআর করেন। তদন্তভার পেয়ে কাজ শুরু করে সিআইডি। এই সই জাল কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।