ওঙ্কার ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার দু দিন পেরিয়ে গেলেও বহু রাজ্যে আন্দোলনকারীদের মুক্তি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করল ককরোচ জনতা পার্টি। অবিলম্বে আটক থাকা সমস্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তারা। এর জন্য সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সংগঠনটি। বলা হয়েছে, আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে তারা ‘পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’ নেবে।
সিজেপি নেতা সৌরভ দাস এক বিবৃতিতে বলেছেন, অসম, পশ্চিমবঙ্গ, বিহারের মতো একাধিক রাজ্যে শিক্ষার্থী ও অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের আটক বা গ্রেফতার করার বিষয়ে খবর পাওয়া গিয়েছে। এই বিষয়গুলি ‘অত্যন্ত উদ্বেগের’ বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি। ভারত সরকারের তরফে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল, ‘বিজেপি বা এনডিএ-শাসিত কোনও রাজ্যেই কোনও বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না’। এই আশ্বাস বার্তার পর সিজেপি দেশব্যাপী আন্দোলন প্রত্যাহার করেছিল।
যাঁরা আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়েছেন তাঁদের উদ্দেশে সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা প্রত্যেক বিক্ষোভকারীকে আশ্বস্ত করতে চাই, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য আমাদের আইন সংক্রান্ত দল সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোর আইনজীবীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে।’ এছাড়া সিজেপি বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের কাছে—অবিলম্বে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছে।