নিজস্ব সংবাদদাতা : তৃণমূলের প্রতীক ফেরানোর আইনি লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে কংগ্রেস। তবে নির্বাচনী জোটের প্রশ্নে আপাতত সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে দলটি। সূত্রের দাবি, অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ভালো। প্রয়োজন হলে তৃণমূলকে আইনি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা থাকতে পারে। দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখার ক্ষেত্রেও সিংভি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন বলে সূত্রের খবর।
তবে কালীঘাটের সঙ্গে সরাসরি জোটের প্রস্তাব দেওয়ার পথে হাঁটতে চাইছে না কংগ্রেস। দলের একাংশের মতে, নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে তৃণমূলকে ঘিরে পুরনো ক্ষোভ এখনও রয়েছে। তাই তৃণমূলের তরফে প্রস্তাব এলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। কিন্তু কংগ্রেস নিজে থেকে জোটের প্রস্তাব দেবে না বলেই সূত্রের দাবি। ইতিমধ্যে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে হেফাজতে রয়েছেন। সূত্রের খবর, নন্দীগ্রামকে সামনে রেখে রাজ্যে নিজেদের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা বাড়াতে চাইছে প্রদেশ কংগ্রেস। বিষয়টি শুধু রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেতৃত্বও নন্দীগ্রামের ঘটনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে সূত্রের খবর। মিলন প্রধানের গ্রেপ্তারিকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বিজেপির বিকল্প হিসেবে নিজেদের জায়গা তৈরি করাই অন্যতম লক্ষ্য বলে সূত্রের দাবি।
মিলন প্রধানের গ্রেপ্তারি নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন রাহুল গান্ধী। শনিবার একই বিষয় নিয়ে সমাজ মাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। খাড়গে তাঁর পোস্টে মিলনের গ্রেপ্তারিকে ‘ভোটচুরির নির্লজ্জ চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন। একটি উপনির্বাচন নিয়ে বিজেপি এতটা উদ্বিগ্ন কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।